বই বলতেই মনটা ভরে যায়। কারও বাড়িতে বই দেখতে না পেলে মন ভরে না।
বই বলতেই মনটা ভরে যায়। কারও বাড়িতে বই দেখতে না পেলে মন ভরে না। একজন আত্মীয় কোনো এক বাড়ির মেয়েকে বউ করতে রাজি নন; কারণ সে বাড়িতে নাকি একটিও বই ছিল না। কেবল তিনঘরে তিনটা টেলিভিশন এবং ডাইনিং স্পেসে একটা। সে বাড়ির সবার জীবন চলে – সিরিয়ালে।
মানব সভ্যতায় বই নতুন। আগে বই ছিল না। নানা প্রকার পাথরের চাঁইতে, পাপিরাসে, বিবিধ পশু চামড়ায় মনের ভাব, ছবি ও নানা সংবাদ লেখা হতো। চীন কাগজ দিয়েছে এবং চীনে প্রথম কাগজের বই হয়েছে ৬১৮ সালে তাং ডায়ানিস্টির সময়। মার্কোপোলো এরপর মিং চায়না ভ্রমণ করেন এবং দেখেন, অসংখ্য বই সেখানে। পাপিরাসকে সরিয়ে দেয় পশুর চামড়া। নানাভাবে শোধন করে এই চামড়াকে লেখার উপযুক্ত করা হতো। এরপর মোমঘষা কাঠের টেবিল। সেখানেও লেখা হতো এবং সে লেখা আবার মোছাও যেত। ভূর্জ পাতা বা গাছের বাকলেও লেখা হতো। কাদার টেবিলও ব্যবহার করা হতো লেখার জন্য। মহাভারত লেখা হয়েছিল গাছের বাকলে। গিলগিমাসের বই পাথরে।
Well say . Here great info